বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:২৮ অপরাহ্ন

সংবাদ শিরোনাম :
বাবুগঞ্জে রাতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল নিয়ে হাজির ইউএনও বাবুগঞ্জে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনায় মামলা দায়ের বাবুগঞ্জে জমিতে গরু বাঁধাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলা: নারীসহ একই পরিবারের ৩ জন গুরুতর আহত আমরা প্রতিশোধ মূলক কোনো কাজ করব না-জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জে রবি মৌসুমে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে প্রদর্শনীর বীজ ও উপকরণ বিতরণ বরিশালে এনএসআই’র তথ্যের ভিত্তিতে দুটি প্রতিষ্ঠানে অভিযান: মানহীন মিষ্টি–আইসক্রিম কারখানায় ৭০ হাজার টাকা জরিমানা বাকেরগঞ্জে অসহায়-হতদরিদ্র পরিবার উপহার পেল ’স্বপ্নকুঞ্জ’ বাবুগঞ্জে বেপরোয়া কিশোরগ্যাং: কলেজ ছাত্রকে মারধরের পর ফেসবুকে পোস্ট বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদী) আসনে বিএনপির মনোনয়নকে ঘিরে উৎসাহ—জনসমর্থনে এগিয়ে অ্যাড. জয়নুল আবেদীন বাবুগঞ্জ এলজিইডি’র এলসিএস কমিউনিটি অর্গানাইজার সানজিদার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ও হয়রানির অভিযোগ
কোরবানির লক্ষাধীক পশু নিয়ে শঙ্কায় আছেন ভোলার খামারিরা

কোরবানির লক্ষাধীক পশু নিয়ে শঙ্কায় আছেন ভোলার খামারিরা

কোরবানির লক্ষাধীক পশু নিয়ে শঙ্কায় আছেন ভোলার খামারিরা
কোরবানির লক্ষাধীক পশু নিয়ে শঙ্কায় আছেন ভোলার খামারিরা

ভোলা :

সরকারের দেওয়া বিধিনিষেধে আসন্ন কোরবানির লক্ষাধীক পশু নিয়ে শঙ্কায় আছেন দ্বীপ জেলা ভোলার খামারিরা। জেলার ৭ উপজেলার ২ হাজার ৯শো ৭৫ জন খামারির রয়েছে ২২ হাজার ৩শো পশু। এসব পশু আসন্ন কোরবানির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কিন্তু সরকারের দেওয়া বিধিনিষেধে এসব পশু নিয়ে শঙ্কায় আছেন খামারিরা। খামারিদের প্রত্যাশা ছিল আসন্ন কোরবানির ঈদে ভালো দামে পশু বিক্রি করে গতবছর তাদের যে ক্ষতি হয়েছে তা তাঁরা পুষিয়ে নিবেন। কিন্তু সরকারের দেওয়া বিধিনিষেধে তাদের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন হচ্ছে না। ছোট ছোট খামারিরা তেমন একটা দুশ্চিন্তায় না থাকলেও বড় বড় খামারিরা বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছেন। তাঁরা বলছেন, সরকারের চলমান বিধিনিষেধ অব্যাহত থাকলে তাঁরা বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবেন। জেলা প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এবার পশুর টার্গেট রয়েছে ১ লক্ষ ২ হাজার ৬০টির। যাঁর মধ্যে মজুদ রয়েছে ১ লক্ষ ৬ হাজার ৭৫৪টি পশু। এরমধ্যে গরু মজুদ আছে ৭৫ হাজার ৩০৪ টি, মহিষ ২ হাজার ৫৯২টি, ছাগল ২৭ হাজার ৪৭৪টি, ভেড়া ১ হাজার ৩শো ৮৪টি। এবার কোরবানির ঈদে দেশের আভ্যন্তরে পালনকৃত গরু দিয়েই ভোলায় কোরবানি দেয়ার মতো পশুর শতভাগ চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে। তবে বিধিনিষেধ চলমান থাকলে ও ভারতীয় গরু দেশে প্রবেশ করলে সেই চাহিদা মেটানো সম্ভব হবে না। খামারিরা বলছেন, এভাবে বিধিনিষেধ চলতে থাকলে তাঁরা অনেক বিপদে পড়ে যাবেন। অন্তত কিছুদিনের জন্য হলেও যাতে খামারিরা ভালো দামে পশু বিক্রি করতে পারে সে ব্যবস্থা যেনো করে দেওয়া হয়। খামারিরা বলছেন, তাঁরা লাভ চাচ্ছে না। অন্তত খামারে তাঁদের যে বিনিয়োগ ও খরচ হয়েছে তা যেনো উঠে আসে। জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মন্ডল জানান, জেলায় এবার ৮টি অনলাইন খোলা হয়েছে পশু বেচা বিক্রির জন্য। সরকারের দেওয়া বিধিনিষেধ না থাকলে এবং ভারতীয় গরু দেশে আসা বন্ধ হলে ভোলার খামারিরা ভালো দামে পশু বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি।

নিউজটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন




© All rights reserved © 2012
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD